দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে চলমান অস্থিরতা সাধারণ মানুষের জীবনে দৃশ্যমান প্রভাব ফেলছে। ৫ই আগস্ট ২০২৪–এ পূর্ববর্তী সরকারের পতনের পর থেকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব রয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাতে। নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতি থাকলেও, নির্বাচন-সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা জনমনে দোটানা বাড়িয়ে তুলছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্বে প্রশাসনিক কাজ চললেও নির্বাচিত সরকারের অনুপস্থিতিতে অনেক উন্নয়ন প্রকল্প কার্যত স্থবির অবস্থায় রয়েছে। মাঠপর্যায়ে যেসব প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ প্রতিদিন সুবিধা পেত রাস্তা সংস্কার, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, কৃষি সহায়তা, এলাকা ভিত্তিক উন্নয়ন তার অনেকগুলোই এখন ধীরগতিতে চলছে।
রাজনৈতিক দলগুলো ইতোমধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতিতে নেমেছে। তবে নির্বাচন পদ্ধতি, সময়সূচি ও অংশগ্রহণ নিয়ে দলগুলোর মধ্যে মতবিরোধ দেখা যাচ্ছে। কেউ দ্রুত নির্বাচনের দাবি তুলছেন, আবার কেউ বলছেন নির্বাচনকে অর্থবহ ও অংশগ্রহণমূলক করতে আরও প্রস্তুতির দরকার।
এদিকে সাধারণ মানুষ চাইছে স্থিতিশীলতা, স্বচ্ছ প্রক্রিয়া ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। মানুষের প্রত্যাশা যে দলই নির্বাচনে জয়ী হোক, দেশের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, বাজারের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা যেন অগ্রাধিকার পায়।
একাধিক নাগরিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা তাদের দৈনন্দিন সিদ্ধান্তেও প্রভাব ফেলছে। কেউ নতুন ব্যবসা শুরু করতে দ্বিধায়, কেউ কৃষি উৎপাদন বা বিনিয়োগ নিয়ে চিন্তিত। শিক্ষার্থী থেকে দিনমজুর সবাই স্থায়ী সরকারের অপেক্ষায় ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন।
দেশের রাজনীতিবিদ, বিশ্লেষক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসবাই বলছেন, শান্তিপূর্ণ, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনই বর্তমান অচলাবস্থা কাটানোর একমাত্র পথ।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্বে প্রশাসনিক কাজ চললেও নির্বাচিত সরকারের অনুপস্থিতিতে অনেক উন্নয়ন প্রকল্প কার্যত স্থবির অবস্থায় রয়েছে। মাঠপর্যায়ে যেসব প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ প্রতিদিন সুবিধা পেত রাস্তা সংস্কার, স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, কৃষি সহায়তা, এলাকা ভিত্তিক উন্নয়ন তার অনেকগুলোই এখন ধীরগতিতে চলছে।
রাজনৈতিক দলগুলো ইতোমধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতিতে নেমেছে। তবে নির্বাচন পদ্ধতি, সময়সূচি ও অংশগ্রহণ নিয়ে দলগুলোর মধ্যে মতবিরোধ দেখা যাচ্ছে। কেউ দ্রুত নির্বাচনের দাবি তুলছেন, আবার কেউ বলছেন নির্বাচনকে অর্থবহ ও অংশগ্রহণমূলক করতে আরও প্রস্তুতির দরকার।
এদিকে সাধারণ মানুষ চাইছে স্থিতিশীলতা, স্বচ্ছ প্রক্রিয়া ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। মানুষের প্রত্যাশা যে দলই নির্বাচনে জয়ী হোক, দেশের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, বাজারের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা যেন অগ্রাধিকার পায়।
একাধিক নাগরিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা তাদের দৈনন্দিন সিদ্ধান্তেও প্রভাব ফেলছে। কেউ নতুন ব্যবসা শুরু করতে দ্বিধায়, কেউ কৃষি উৎপাদন বা বিনিয়োগ নিয়ে চিন্তিত। শিক্ষার্থী থেকে দিনমজুর সবাই স্থায়ী সরকারের অপেক্ষায় ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন।
দেশের রাজনীতিবিদ, বিশ্লেষক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসবাই বলছেন, শান্তিপূর্ণ, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনই বর্তমান অচলাবস্থা কাটানোর একমাত্র পথ।
আব্দুল্লাহ হিল কাফি